সোমবার, ৮ মার্চ, ২০২১

দেহ পাঠের ব্যাকরণ

 


 

প্রেমের ইতিহাস কবিতার বইয়ে নয়

থাকে প্রেমিকের চোখে,

প্রেমিকার ঠোঁটে

লাল দোপাট্টার উষ্ণ অঞ্জলিতে।

 

মনপাঠের ব্যাকরণ মেনে নয়

চোখে চোখ রেখে সাজাতে হয়।

 

কপোলের ভাজে, বাকানো ঠোঁটে

কার্ণিশ ছুয়ে যাওয়া বেনীতে

উত্থিত মাংসল ভাজে সংজ্ঞায়িত করে

দেহপাঠের সন্ধি-সমাস-কারক।

 

গ্রীবাদেশ বেয়ে নেমে আসা জলে

প্রশ্ন ছুড়ে দেয়, আর কত?

স্রোতবেয়ে উঠে আসা ইলিশের ঝাঁক

বিপরীত পাঠের ব্যাকরণ শেখায়।

 

দুই আঙুলের ব্যবহারে কিংবা

বৃত্তে বন্দীর ফিতার আয়োজনে

লাল-নীল জোনাকী জ্বলে।

 

ভালোবাসতে ব্যাকরণ লাগে

দাঁড়ি-কমা-সেমিকোলন নয়

রক্ত-মাংস-ঝোলের দাগে

Featured post

আমাকে ভালোবাসার পর – হুমায়ুন আজাদ

  আমাকে ভালবাসার পর আর কিছুই আগের মত থাকবে না তোমার, যেমন হিরোশিমার পর আর কিছুই আগের মতো নেই উত্তর থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত। যে কলিংবেল বাজে...